প্লে অফ খেলতে কেকেআরকে জিতবে হবে পরের দুই ম্যাচ

মে ১৩, ২০১৮ ৯:৩২ সকাল

স্পোর্টস ডেক্সঃ

অদম্য লড়াই চালিয়েও ম্যাচ জিততে পারলো না কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। ইন্দোরের হলকার স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৪ রানে থামে রবিচন্দ্রণ অশ্বিনের দল। ৩১ রানে পাঞ্জাবকে তাদেরই ঘরের মাঠে হারিয়ে দিলো কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। ঘাড়ের কাছে নিঃশ্বাস ফেলছে মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ও রাজস্থান রয়্যালস। প্লে-অফে যেতে হলে পরের দুই ম্যাচে জয় ছাড়া বিকল্প নেই শাহরুখ খানের দলের।

কলকাতার দেয়া প্রায় আড়াইশ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভাল হয় স্বাগতিকদের। লোকেশ রাহুল ও ক্রিস গেইল তুলে নেন ৫০ রানের জুটি। দলীয় ৫৭ রানের মাতায় ১৭ বলে ব্যক্তিগত ২১ রান করে ক্যারিবীয় ওপেনার ফিরলে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে প্রীতি জিনতার দল।
দ্রুত মিডল অর্ডারে ধস নামলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান রাহুল। নবম ওভারে দলীয় ৯৩ রানে থামেন ডানহাতি এই ওপেনার। ফিরে যাবার আগে ২৯ বলে ৬৬ রান করেন ফর্মে থাকা এই উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান।

শেষ দিকে অ্যারন ফিঞ্চ (৩৪), আকসার প্যাটেল (১৯) অশ্বিন (৪৫) ঝড়ো ইনিংস খেললে বিশাল রানের পাহাড় টপকানো সম্ভব হয়নি।

কলকাতার হয়ে তিনটি উইকেট নেন আন্দ্রে রাসেল। প্রাসিদকৃষ্ণ নেন দুটি উইকেট। এর আগে টস হেরে ওপেন করতে নেমে মাত্র ৩৬ বলে ৭৫ রান করেন গেলেন সুনীল নারাইন। পাঞ্জাব বোলারদের কারও প্রতি মায়া দয়া করলেন না ক্যারিবীয় তারকা। ওপেনিংয়ে ক্রিস লিনের সঙ্গে অর্ধশতরানের জুটি করার পরে তিন নম্বরে নামা রবিন উথাপ্পার সঙ্গেও অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ গড়েন নারাইন।

লিন ২৭ ও উথাপ্পা ২৪ করে ফেরেন। সেখান থেকে ইনিংস সামলে নেন আন্দ্রে রাসেল ও অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। রাসেল ১৪ বলে ৩১ রান করে ফেরেন। এদিকে কার্তিক মাত্র ২৩ বলে বিস্ফোরক ৫০ রানের ইনিংস খেলেন।
শেষদিকে নীতীশ রানা ৪ বলে ১১ রান, শুভমান গিল ৮ বলে ১৬ রান ও নবাগত জেভন সারলেস ১ বলে ছক্কা হাঁকিয়ে কলকাতার রান ২৪৫-এ পৌঁছে দেন। কেকেআরের এই ইনিংস চলতি আইপিএলের সর্বোচ্চ রান তো বটেই, সব আসর মিলিয়ে এটি চতুর্থ সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ।

সর্বোচ্চ দুই সংগ্রহই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর। ২০১৩ সালে বিরাট কোহলির দলের করা ২৬৩ রান এখনও রেকর্ড হয়ে আছে। ২০১৬ সালে ব্যাঙ্গালুরু করে ২৪৮ রান। ২০১০ সালে চেন্নাই সুপার কিংস করে ২৪৬ রান।

পাঞ্জাবের হয়ে অ্যান্ড্র টাই একাই ৪টি উইকেট নেন। এছাড়া মোহিত শর্মা ও বারিন্দর স্রন ১টি করে উইকেট পেয়েছেন। অশ্বিন থেকে শুরু করে বারিন্দর স্রন, মুজিব উর রহমান, অক্ষর প্যাটেল সকলেই আজ কলকাতার ব্যাটসম্যানদের কাছে বলির পাঠা হন।