গণধর্ষণের পর জোর করে বিয়ের ঘটনার সত্যতা পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদের তদন্ত দল

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯ ১২:২৩ দুপুর

নিউজ ডেক্সঃ

পাবনায় ৩ সন্তানের মাকে গণধর্ষণের পর জোর করে বিয়ে দেয়ার ঘটনার সত্যতা পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশে গঠিত তদন্ত দল। সদর থানার ওসি উবায়দুল হকের নির্দেশে উপ-পরিদর্শক একরামুল হক ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ের ব্যবস্থা করেন। গতকাল সন্ধ্যায় নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সব তথ্য সঠিক বলেও জানান তিনি।

গত ২৯ আগস্ট রাতে তিন সন্তানের জননীকে অপহরণের পর টানা চারদিন গণধর্ষণ করে রাসেল আহমেদ ও তার চার সহযোগী। পরে কৌশলে পালিয়ে এসে সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দিতে গেলে মামালা না নিয়ে ধর্ষক রাসেলের সঙ্গেই ওই গৃহবধূকে বিয়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে।

পুলিশ সুপার শেখ রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার সদর থানার ওসি ওবায়দুল হককে প্রত্যাহার ও এসআই একরামুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করেন। শনিবার সকালে সদর উপজেলার যশোদল সাহাপুর এলাকায় নির্যাতিতার বাবার বাড়িতে যান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জাহিদ নেওয়াজের নেতৃত্বাধীন ৩ সদস্যের তদন্ত দল।

এ সময় তারা নির্যাতিতা গৃহবধূ ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। যাচাই-বাছাই শেষে রোববার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের কাছে ঘটনার সত্যতা পাওয়ার বিষয়টি জানিয়ে প্রতিবেদন জমা দেয় তদন্ত দল।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনে তারা ঘটনার বিষয়টি বর্নণাভাবে উল্লেখ করেছে। গণমাধ্যমে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তার প্রাথমিক সত্যতা তদন্ত কমিটি খুঁজে পেয়েছে।’

এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রাসেলসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।