আন্দোলনে প্রভাব পড়বে ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারে!

অক্টোবর ২৭, ২০১৯ ১:১৮ দুপুর

স্পোর্টস ডেক্সঃ

আলোচনায় বসে বিসিবি সভাপতি ও বোর্ড পরিচালকদের রোষানলে পড়েন, জাতীয় দলের দু-একজনসহ বেশ ক’জন ক্রিকেটার। ভবিষ্যতে তাদেরকে কোনো ধরনের সাহায্য করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন বোর্ড সভাপতি। সময় সংবাদে এ কথা জানিয়েছেন বৈঠকে উপস্থিত থাকা একজন ক্রিকেটার। তার আশঙ্কা, বিসিবি প্রধানের এমন আচরণের প্রভাব পড়বে ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারে।

সাবেকরা বলছেন, আন্দোলনের বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে নিলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের ক্রিকেট।

দেশের ক্রিকেটের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে ১১ দফা দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেন ক্রিকেটাররা। পরদিনই বিক্ষুব্ধ বিসিবি প্রধান গণমাধ্যমে এসে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত বিষয়াদি তুলে ধরেন।

বুধবার দিনভর নাটকীয়তা শেষে হয় বহুল কাঙ্খিত আলোচনা। আগের দিন গণমাধ্যমে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখানো বিসিবি সভাপতি পরদিন কিভাবে গ্রহণ করেন ক্রিকেটারদের?

আন্দোলনকারী ক্রিকেটার আল আমিন সিদ্দিক সুজন জানান, বোর্ড সভাপতি একজন খেলোযারকে বলেন তুমি আমার ফোন ধরো না কেনো? তোমার নাম্বার আমি মুছে ফেলেছি। তিনি আমাদের অভিভাবক। আমাদের শাসন করবেন। ভুলক্রুটি ধরিয়ে দেবেন। কিন্তু তাঁর বাচনভঙ্গি তেমনটা ছিলো না।

তার অর্থ হুমকি ধামকি দিয়েই কি ক্রিকেটারদের মাঠে ফিরতে বাধ্য করা হয়েছে? এই আন্দোলনের প্রভাব কি পড়বে ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারে?

এ প্রসঙ্গে ক্রিকেটার আল আমিন সিদ্দিক সুজন আরো বলেন, বোর্ডের পরিচালকদের বেশিরভাগই রাজনীতির সাথে যুক্ত আছেন। আমরা অবশ্যই শংকায় থাকি। কিছু বললেই যদি আমাকে দল থেকে বাদ করে দেয়?

সাবেকরা বলছেন, আন্দোলনের কথা বোর্ড মনে না রাখলেই দেশের ক্রিকেটের জন্য মঙ্গলজনক হবে।

সাবেক ক্রিকেটার খালেদ মাসুদ পাইলট বলেন, খেলোয়ারদের জন্যই আজকের ক্রিকেট বোর্ড। তাই সবকিছুকেই পজেটিভ ভাবে দেখতে হবে। কারো ক্ষতি করা যাবে না। তাদের বেশিরভাগ দাবিই যৌক্তিক ছিলো।

আন্দোলনের শুরু থেকেই ক্রিকেটাররা বলছিলেন তাদের প্রাপ্য সম্মানই মূল দাবি। সেটি কি তারা পাচ্ছেন?

ক্রিকেটারদের প্রতি বোর্ড কর্তাদের মনোভাব কেমন হতে পারে, এই একটি আন্দোলন সেটিও জানিয়ে দিয়ে গেল।