মালয়েশিয়ার মাহাসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিপি নির্বাচিত হলেন বাংলাদেশের বশির

December 7, 2019 3:20 pm
Spread the love

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ

মালয়েশিয়ার মাহাসা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিপি নির্বাচিত হলেন, বাংলাদেশের গৌরব, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র অান্দো’লনের দায়িত্বশীল হাফেজ মোঃ বশির ইবনে জাফর। এসআরসি নির্বাচনে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী বশির,

মালয়েশিয়ার অন্যতম বৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয় মাসা ইউনিভার্সিটির ‘স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ কাউন্সিল’ (এসআরসি) নির্বাচনে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশের শিক্ষার্থী বশির ইবনে জাফর। জানা যায়, দেশটির প্রধান প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ডাকসুর মতো স্টুডেন্ট রিপ্রেজেন্টিটিভ কাউন্সিল (এসআরসি) নির্বাচনের আয়োজন করা হয়।

স্থানীয় শিক্ষার্থীদের জন্য প্রেসিডেন্ট পদটি সংরক্ষিত রেখে বাকি আরো ৮ টি পদ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজন করে এই এসআরসি নির্বাচনের। এ সময় পুরো দেশজুরেই আলোচনায় থাকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের এই নির্বাচন।

২০২০ সেশনের জন্য অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ নির্বাচনে ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বশিরসহ আরো ৭ জন। প্রেসিডেন্ট ও ভিপি ছাড়াও অন্যান্য পদগুলোর মধ্যে রয়েছে সেক্রেটারি, কোষাধ্যক্ষ, কল্যাণ ব্যুরো, ক্রীড়া ও বিনোদন ব্যুরো, সাংস্কৃতিক ব্যুরো, একাডেমিক ব্যুরো ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ব্যুরো।

বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রকৌশল বিভাগে অধ্যয়নরত বশির ইবনে জাফর বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার কৃতি সন্তান। মাদরাসায় পড়াশোনার পাশাপাশি স্কুল এবং কলেজ পাস করা এ শিক্ষার্থী কুরআনের হাফেজ।

জানা গেছে, রাজধানীর দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর স্কলারশিপে মালয়েশিয়ায় পড়াশোনার জন্য যান এ কৃতি শিক্ষার্থী। আগামী ৩-৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয় এ নির্বাচন। অনলাইন ভোটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণের পর ৬ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হয় এ নির্বাচনের ফলাফল।

কাতারে বাংলাদেশি হাফেজদের কৃতিত্বপূর্ণ সাফল্য অর্জন!

কাতারে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ‘শেখ জাসেম মোসাবাকা’ কোরআন প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশি ৪ জন হাফেজ অংশগ্রহণ করে কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করেছেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ কারীরা হলেন- কাতার ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ইমাম হাফেজ মাওলানা তোফায়েল আহমেদ,

আবু সুহাইলা মোহাম্মদ, হাফেজ ক্বারী মোহান্নাদ মোহাম্মাদুল্লাহ, শায়েখ আব্দুল ওয়াহাব ইউসুফ আহমেদ ও অপর জন মোছা. খাদিজা। এ প্রতিযোগিতায় অন্যান্য দেশের নাগরিকরাও অংশগ্রহণ করেছেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় উত্তীর্ণ হওয়ার দিক থেকে বাংলাদেশিরাই সংখ্যায় বেশি। এ ফলাফলে কাতারে বাংলাদেশি আলেম ওলামারা লাল-সবুজের পতাকার সম্মান আরো একধাপ বৃদ্ধি পেয়েছে।