আরো পঙ্গুত্ববরণ করা আরো ৫১ জন মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি পেলেন

ডিসেম্বর ৭, ২০১৯ ৩:২৫ দুপুর

নিউজ ডেক্সঃ

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পেলেন একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে পঙ্গুত্ববরণ করা আরো ৫১ জন। জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৬৫তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের এই স্বীকৃতি দিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ৩ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

তাদের নিয়ে তালিকাভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা দাঁড়াল চার হাজার ৫৯৮ জনে। পঙ্গুত্বের মাত্রা অনুযায়ী চারটি শ্রেণিতে মাসে ২৫ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা ভাতা পাচ্ছেন তারা।

তালিকায় গেজেটভুক্ত হওয়া ৫১ যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হলেন নোয়াখালী সুধারামের আবুল হাসেম, সোনাইমুড়ির মো. আবদুল মতিন, ঢাকা বাড্ডার মো. শফিউল্লাহ, খিলক্ষেতের মো. আবদুল হাই, সাভারের তাজুল ইসলাম ভূঁইয়া, সিলেট গোলাপগঞ্জের মো. আবদুল মালেক, সিলেট সদরের নাথুরাম বণিক ও সাইদুর রহমান, দক্ষিণ সুরমার মো. সিরাজুল ইসলাম, ফেঞ্চুগঞ্জের মো. আজমল হোসেন, বিয়ানীবাজারের আক্তার আলী কুতুবউদ্দিন, যশোর সদরের মো. শামসুর রহমান, কেশবপুরের মো. মোবারক হোসেন, শার্শার মো. আবদুল আলী, যশোর চৌগাছার মাজেদা বেগম, ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গীর মো. হাবিবুর রহমান ও মিরানাথ গোস্বামী, ফরিদপুর সদরের মো. আবদুল লতিফ, বরিশাল সদরের শেখ মো. ইউনুছ, গাইবান্ধা সদরের মো. সিরাজুল ইসলাম, দিনাজপুর সদরের কাজী আবদুল মান্নান, মৌলভীবাজার কুলাউড়ার প্রেমানন্দ রায়, রংপুর মিঠাপুকুরের মো. মকবুল হোসেন, সুনামগঞ্জ দিরাইয়ের নিবারণ দাস, টাঙ্গাইল সদরের মেজর মো. সোহরাব আলী (অব.), চাঁদপুর ফরিদগঞ্জের আবুল খায়ের পাটোয়ারী, নওগাঁ ধামইরহাটের মো. মোকছেদ আলম, কক্সবাজার উখিয়ার পরিমল বড়ুয়া, মেহেরপুর সদরের মো. খিদির আলী, জামালপুর বকশীগঞ্জের হাবিবুর রহমান, লক্ষ্মীপুর রামগঞ্জের মো. নুরুল ইসলাম, লালমনিরহাট আদিতমারীর ফিরোজুর রহমান, মাগুরা শ্রীপুরের মো. গোলাম মোস্তফা, ফেনী ফুলগাজীর মোহা. মনির আহমেদ ভূঁইয়া, কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামের আবদুল কাদের মোল্লা, ঝালকাঠি সদরের আবদুল হাকিম, বগুড়ার দুপচাঁচিয়ার মো. আফজাল হোসেন তালুকদার, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের মৃত মোসলেম মিয়া, বরিশাল বাকেরগঞ্জের মো. হাসমত আলী মোল্লা, খাগড়াছড়ি রামগড়ের সুবেদার আবুল বশর, দিনাজপুর সদরের মো. মিজানুর রহমান ও চট্টগ্রাম বায়জিদ বোস্তামীর এস ই ডেভিটও (ইউসুফ), সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরের মো. ইদ্রিস আলী, কুষ্টিয়া দৌলতপুরের মুসলিম উদ্দিন, ফেনী সদরের মো. জসিম উদ্দিন, কুষ্টিয়া দৌলতপুরের মো. আতাহার হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ার মোখলেছুর রহমান, কুমিল্লা মুরাদনগরের খলিলুর রহমান, সিরাজগঞ্জ শাহজাদপুরের মোহা. রহম আলী, ঢাকা মোহাম্মদপুরের মো. এ কে এম গোলাম মোস্তফা, দিনাজপুর বিরলের মো. মাইন উদ্দিন।

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবার সম্মানী ভাতা এবং উৎসব ভাতা ছাড়াও দেশে ও বিদেশে (ভারত, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড) চিকিৎসা সুবিধা, মেয়ের বিয়ের জন্য ভাতা, সন্তান ও নাতি-নাতনিদের বঙ্গবন্ধু বৃত্তি, শিক্ষা ভাতা, ছেলেমেয়েদের বিনা বেতনে লেখাপড়ার সুযোগ, রেশন কার্ড পান। এছাড়া তাদের পানির বিল, গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল ও হোল্ডিং ট্যাক্স মওকুফ করা হয়।