সম্ভবত আমেরিকা পেয়ে গেল একজন নতুন নেতা

April 1, 2020 9:16 pm

আন্তর্জাতিক ডেক্সঃ

ভয়াবহ মহামারী-বিপর্যয়ের মুখে নিউইয়র্ক প্রতিদিন বাড়ছে মৃত্যুর মিছিল হুহু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা
পুরো রাজ্য-শহরের প্রতিটি মানুষ আতংকগ্রস্ত লক্ষ লক্ষ বাঙালীর বসবাস সেখানে। ইতিমধ্যে মারা গেছেন বেশ কয়েকজন বাঙালী।

নিউইয়র্ক স্টেট এর গর্ভনর বলেন, পুরো কমিউনিটি জুড়ে শোকের ছায়া। জানিনা কবে শেষ হবে এ যুদ্ধ
কবে মানুষ পরাস্ত করতে সক্ষম হবে invisible enemy। আমরা দূর থেকে শুধু তাদের জন্য প্রার্থনা করতে পারি।

তিনি রয়েছেন ভীষন চাপের মধ্যে। রাজনৈতিক বৈরিতা পরিহার করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে সহযোগিতামূলক
মনোভাব নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। যদিও ফেডারেল সরকার কিছুটা দেরী করে ফেলেছে পরিস্থিতির ভয়াবহতা অনুধাবনে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বহুগুন বেশী হাসপাতাল শয্যা, চিকিৎসক-নার্স-স্বাস্হ্যকর্মী দের সুরক্ষার ইকুইপমেন্ট- পিপিই,মাস্ক, গ্লাভস,গগলস , অতিপ্রয়োজনীয় ভেন্টিলেটর; দ্রত সময়মত প্রয়োজনীয় সংখ্যার সরন্জামাদি সরবরাহের কঠিন চ্যালেন্জ মোকাবিলা করতে হচ্ছে তাঁকে।

৫০ টি স্টেট’ই কমবেশী আক্রান্ত। যদিও নিউইয়র্কের মত ভয়াবহ নয়। এ পরিস্থিতিতে অন্যান্য স্টেট থেকে সাহায্য পাচ্ছেন না গভর্নর। ইতোমধ্যে প্রেসিডেন্টকে বাধ্য করেছেন যুদ্ধকালীন Defense production Act প্রয়োগ করে গাড়ী প্রস্তুতকারক কোম্পানিকে পর্যন্ত ভেন্টিলেটর তৈরিতে।
স্বাস্হ্যকর্মীদের মানসিক চাপ থেকে রক্ষা করতে লড়তে হচ্ছে তাঁকে। যদিও তাঁর সহোদর ভ্রাতা CNN-এর জনপ্রিয় Anchor Chris Cuomo আক্রান্ত হয়ে নিজগৃহের বেসমেন্টে আশ্রয় নিয়ে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় শো চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের পিতা প্রয়াত Mario Cuomo ছিলেন তিনবারের নিউইয়র্ক গভর্নর।

বিপদে নেতৃত্ব পরীক্ষিত হয়, সম্ভবত আমেরিকা পেয়ে গেল একজন নতুন নেতা।

Please follow and like us: