মাতারবাড়ীর বিদ্যুৎ সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে

July 21, 2016 12:03 pm

নিউজ ডেক্সঃ

মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে। এজন্য ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রিড স্টেনদেনিং’ এবং ‘মাতারবাড়ী-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন’ নামের প্রকল্প দুটি নেয়া হয়েছে।

প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাতারবাড়ী কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ প্রথমে চট্টগ্রামে আনা হবে। এরপরে চট্টগ্রাম থেকে নারায়ণগঞ্জে এবং সবশেষে ঢাকার জাতীয় গ্রিডে এনে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর শেরে বাংলানগরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্প দুটি অনুমোদন দেয়া হয়। একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সভায় মোট ৮টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়।

একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন।

তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাসের ব্যবহার কমিয়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করছে। মাতারবাড়ীতে নির্মাণাধীন ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত করার জন্য প্রথমে চট্টগ্রামের মদুনাঘাট পর্যন্ত সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে। এজন্য ১ হাজার ৯১ কোটি ৮১ লাখ টাকার ‘মাতারবাড়ী-মদুনাঘাট ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন’ অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

এছাড়া ৪ হাজার ৫৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকার ‘ঢাকা-চট্টগ্রাম মেইন পাওয়ার গ্রিড স্ট্রেনদেনিং’ অন্য একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জের মেঘনাঘাট থেকে চট্টগ্রামের মদুনাঘাট পর্যন্ত ৪০০ কেভি সঞ্চালন লাইন নির্মাণ করা হবে।

প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে মাতারবাড়ীর ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ঢাকার জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে এনে সারা দেশে সরবরাহ করা হবে বলে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

একনেকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্প হলো হচ্ছে ‘ঠাকুরগাঁও চিনিকলের পুরাতন যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন এবং সুপার বিট থেকে চিনি উৎপাদনের প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সংযোজন (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পে ব্যয় হবে ৪১১ কোটি ১০ লাখ টাকা।

৭৯৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘শিশু ও মাতৃস্বাস্থ্য এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন’ প্রকল্প।
‘শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকার উন্নয়ন (২য় পর্যায়) প্রকল্পে ব্যয় হবে ৩৫২ কোটি ৬৮ লাখ টাকা।

‘তারাইল-পাঁচুরিয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ’ প্রথম সংশোধিত প্রকল্পে ব্যয় হবে ৩২২ কোটি টাকা।
২৬৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা ‘পদ্মা নদীর ভাঙন হতে রাজশাহীর মহানগরীর অন্তর্ভুক্ত সোনাইকান্দি হতে বুলনপুর পর্যন্ত এলাকা রক্ষা’ প্রকল্প।

এছাড়া ৬০ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ঢাকা ওয়াসার সায়েদাবাদ ফেজ-৩ প্রকল্পের ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় ঢাকা মহানগরীর এলাকার ঢাকা ওয়াসা কর্তৃক পানি সরবরাহ সেবার মান উন্নয়ন এবং ঢাকা ওয়াসার ফাইন্যান্সিয়াল মডেলিং ও কারিগরি সক্ষমতা উন্নয়ন’ প্রকল্প।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*