করোনা থেকে সুরক্ষায় ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য কিছু নির্দেশনা

May 29, 2020 1:10 pm

ব্যাংকের গ্রাহকবৃন্দের কিছু নির্দেশনাঃ

ব্যাংকে যখন গ্রাহকরা আসে তখন অনেকেই ব্যাংকের কাউন্টার বা টেবিলে থাকা একটি কলম ব্যবহার করেন।করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কোন ব্যক্তি যদি সে কলম ব্যবহার করে তাহলে পরবর্তী ব্যবহারকারীদেরও করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।সেজন্য নিজেই পকেটে একটা কলম রাখতে পারেন এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে।🙂

অনেকে দেখা যায় প্রতি মাসে পরিবারের খরচের জন্য অল্প অল্প করে অনেকবার টাকা উঠায়। তা না করে পুরু মাসের খরচের টাকা একবারে উঠান, তাতে আপনার ব্যাংকে এসে সংক্রমনের সম্ভাবনা কমবে।

নগদ জমা বা উত্তোলনের পর টাকা গননার সময় থুথুর ব্যাবহার করবেননা।পারলে সাথে সাথে সাবান বা হ্যান্ডসেনিটাইজার ব্যাবহার করুন। মনে রাখবেন আপনার হাতের টাকাটা কয়জনের হাত ঘোরে আপনার হাতে এসেছে সেটা কারো জানা নাই।

ব্যাংকে আসার পর চেক বা জমা ভাউচার লেখার সময় আপনার মোবাইল ফোনটা টেবিল বা কাউন্টারের কোথাও না রেখে পকেটে রাখুন।কারন ব্যাংকের টেবিল বা কাউন্টারে করনা ভাইরাস থাকার সম্ভাবনা থেকেই যায়। আপনিত জানেনা সারা দিনে আপনার মত কত গ্রাহক ঐ টেবিলে হাত দিছে, তাদের মধ্যে করুনার বাহক তো থাকতেই পারে!

নিজের চেকটা নিজে লিখুন এবং অন্য কাউকে চেক লিখে দিতে সাহায্য করলে হাতটা স্যানিটাইজ করুন।

করুনা কালে একটু ব্যাংকে আসার পর একটু ধৈর্য্যশীল হউন।অনেক সময় গ্রাহকদের দেখাযায় অধৈর্য্য হয়ে লাইনে হুড়াহুড়াকরে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখেননা।এতে করুনা পজিটিভ কারোর সংস্পর্শে এসে বিপদ ডেকে নিয়ে আসতে পারেন।

হাত ধুতে অনুরোধ করলে, দূরত্ব মেনে দাঁড়াতে বললে বা মাস্ক পরে থাকতে বললে অনেকেই বিরক্ত হন। কেউ কেউ আবার তাচ্ছিল্যও করেন দয়া করে এটা পরিহার করুন। মনে রাখবেন ব্যাংক হল বিভিন্ন ক্যাটাগরির মানুষের মিলন মেলা। কে ব্যাংকে আসেনা বলুন? সাধারন জনগন থেকে শুরু করে শিক্ষত থেকে অশিক্ষত, সরকারী বেসরকারী চাকুরিজীবি, এনজিও কর্মী,স্বাস্থকর্মী, ভাতা ও পেনশনভোগী( যাদের বয়স ষাটোর্ধ) এই রকম অনেক শ্রেনীর মানুষ আসে ব্যাংকে। তাই ব্যাংকের ভিতর কোভিট ১৯ সংক্রমনের ঝুঁকিও অনেক বেশি।

অনেক মহিলা গ্রাহক বিশেষ করে যারা রেমিটেন্সের জন্য আসেন তারা ব্যাংকে আসার সময় তার ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে আসেন, এই সময়ে ব্যাংকে একা আসার চেস্টা করুন।প্রবাসি ভাইয়েরা অনেক সময় বৃদ্ধ বাবা মায়ের নামে টাকা পাঠান, এই সময়ে পরিবারের অন্যকারো নামে টাকা পাঠাতে পারেন যাতে বয়স্ক কারো ব্যাংকে আসা না লাগে।

সর্বোপরি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যাংকে আসুন, সাবধানে থাকুন নিরাপদে থাকুন।

Please follow and like us: