কমলনগরের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে আগ্রহী আব্দুর রহমান দিদার

July 6, 2020 11:35 pm

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

লেখালেখি করার অভ্যাস আমার নেই, তবে আজ কিছু লিখব। বয়স যখন আমার দশ মাস তখন আমার বাবা ইন্তেকাল করেন। আমার বাবা কমলনগরের বৃহত্তম চর লরেন্স এর সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হাজী আব্দুল গফুর সাহেব। ছোট বেলায় যখন বুঝতে শিখেছি তখন থেকে এলাকার চাচা জেঠা দাদারা বাবার খুব প্রশংসা করত চেয়ারম্যান ভালো ছিলেন ভালো কাজ করেছেন। তখন থেকে স্বপ্ন একদিন জনপ্রতিনিধি হয়ে বাবার মতো ভালো কাজ করে মানুষের ভালবাসা অর্জন করব। আবার স্বপ্ন দেখেছি বাংলার অতন্দ্র প্রহরী হয়ে বাংলাদেশের গর্বিত সৈনিক হবো।Image may contain: one or more people, tree, outdoor and nature

স্বপ্ন পূরণ হলো যোগ দিলাম বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর একজন গর্বিত সৈনিক হিসেবে, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থাকাকালীন বিভিন্ন গেমস এবং বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (বিএমএ)তে একজন গর্বিত প্রশিক্ষক হিসেবে চাকরি করার সুযোগ হয়েছে আমার। সেনাবাহিনীতে অনেক কিছু শিখেছি, নেতৃত্ব কিভাবে দেয় শিখেছি অনেকগুলো কাজ শিখেছ্‌ সম্মানবোধ শিখেছি ভাতৃত্ববোধ শিখেছি। তবে সেনাবাহিনী থেকেও স্বপ্ন একটাই জনপ্রতিনিধি হবো যতদিন চাকরি করেছি এলাকাতে এসেছি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করেছি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী থেকে ১৫ বছর চাকরি করে অবসর গ্রহণ করার একটি নিয়ম আছে। তাই আমি ১৫ বছর পরে অবসর গ্রহণ করলাম স্বপ্ন একটাই জনগণের প্রতিনিধি হয়ে জনগণের সেবক হব। মনের আশা এখনো পূরণ হয়নি তারপরও আলহামদুলিল্লাহ জনগণের ভালোবাসা পেয়েছি।

করোনা মহামারী প্রসঙ্গে আসি।।। করোনা শুরু থেকে আমি আমার, পরিবার, সন্তান আমাদের প্রতিষ্ঠান মিলিনিয়াম হাসপাতাল, আমার ব্যাবসা কোথাও কোন সময় দিতে পারি নাই এবং করোনার শুরু থেকেই নিজের অর্থায়নে আমার সাধ্য অনুযায়ী অসহায় নিজ এলাকায় গরিব মানুষের পাশে চেষ্টা করেছি যতটুকু পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ। একটা কথা আছে চাইলে খোদার লাগো পাওয়া যায়। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এর উপহার সামগ্রী বাংলাদেশ কোস্টগার্ড কমলনগর উপজেলায় প্রায় ৩৫০০ প্যাকেট ত্রান, ৪০০ শাড়ি লুঙ্গি থ্রি পিস, চৌদ্দটি পরিবারকে ঘরের চালের ঢেউটিন, পাঁচজন নদীভাঙ্গা অসহায় জেলেকে পাঁচটি নৌকা, একজন বিধবা বোনকে একটি গরু, একজন বিধবা বোনকে একটি সেলাই মেশিন, বিধবা মা মেয়েকে একটি মুদি দোকান এসকল উপহারসামগ্রী ব্যবস্থা করা বিতরণ করা সকল কাজই আমার উপর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। করোনার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত নিজের পরিবার নিজের প্রতিষ্ঠান মিলিনিয়াম হসপাতাল এবং ব্যক্তিগত সকল কাজকে বাদ রেখে জনগণের জন্য দেওয়া উপহার সামগ্রী সঠিকভাবে বন্টন করার চেষ্টা করেছি আজ সফল হয়েছি মনে করি।Image may contain: one or more people, tree and outdoor

আমাকে এই উপহার সামগ্রী দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এবং বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এর প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকব এই জন্য যে কমলনগর উপজেলার গরীব অসহায় মানুষের মাঝে বিন্দানন্দের দেওয়া উপহার সামগ্রী আমি বিতরন করতে পেরেছি। ধন্যবাদ বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ধন্যবাদ (বাংলাদেশ কোস্টগার্ড স্যালুট) এখনো সুস্থ আছি আলহামদুলিল্লাহ। আগামী দিনগুলোতে সুযোগ পেলে অবশ্যই কমলনগরের জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে পারি সেই চেষ্টাই করবো। আমি নেতা নই, জনগণের সেবক হয়েই বাঁচতে চাই।

মোঃ আব্দুর রহমান দিদার
জনগনের সেবক
কমলনগর, লক্ষ্মীপুর।

Please follow and like us: