দুই বছরেও পুরান আর নাইবের পারিশ্রমিক পরিশোধ করেনি

August 4, 2020 6:03 pm
Spread the love

স্পোর্টস ডেক্সঃ

২০১৮-১৯ মৌসুমে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে অংশ নিয়েছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের হার্ডহিটার নিকোলাস পুরান ও আফগানিস্তানের পেস অলরাউন্ডার গুলবাদিন নাইব। দুইজনই খেলেছেন সিলেট সিক্সার্সে। প্রায় দুই বছর কেটে গেলেও ফ্রাঞ্চাইজি থেকে শতভাগ পারিশ্রমিক পাননি দুই বিদেশী ক্রিকেটার।

সম্প্রতি ফেডারেশন অব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ফিকা) তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ক্রিকেট বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টগুলোতে খেলা এক-তৃতীয়াংশের বেশি ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক পেতে দেরি হয় কিংবা একেবারেই পান না। যে ৬টি টুর্নামেন্টকে চিহ্নিত করেছে ফিকা, সেখানে আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর একমাত্র প্রতিষ্ঠিত লিগ বিপিএল।

ফিকার প্রতিবেদনে বিপিএলের নাম উঠায় ব্রিবত বিসিবি। বিপিএলের প্রথম দুই আসরে পারিশ্রমিক নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়েছিল। বিসিবির বর্তমান সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বোর্ডের দায়িত্ব নেওয়ার পর বিপিএল এক আসর বন্ধ রাখেন। পরবর্তীতে শৃঙ্খলভাবে আবারও শুরু করেন বিপিএল। শেষ কয়েক আসরে বিসিবি বিপিএলের ভাবমূর্তি ঠিক করার কাজ করেছে ভালোভাবেই। তবে ফিকার এমন প্রতিবেদনে আবারও হোঁচট খেল বিসিবি। দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাফ জানিয়েছে, শিগগিরিই খেলোয়াড়দের বকেয়া পারিশ্রমিক তারা পরিশোধ করবে।

জানা গেছে, শেষ এক বছরে দুই ক্রিকেটারের টাকা পরিশোধে সিলেট সিক্সার্সকে একাধিকবার বলেছে বিসিবি। কিন্তু নিকোলাস পুরান ও গুলবাদিন নাইবের পারিশ্রমিক পরিশোধে অনীহা দেখিয়েছে সিলেট সিক্সার্স। সেজন্য বাধ্য হয়েই বকেয়া পারিশ্রমিক পরিশোধের সিদ্ধান্ত নিচ্ছে বিসিবি।

বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দীন চৌধুরী সুজন বলেছেন,‘এটা অশ্যই উদ্বেগের কারণে। আমরা খুব গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি দেখছি। বিসিবি বিপিএলের সঙ্গে জড়িত। আমরা জানি ২০১৮-১৯ মৌসুমে যে সমস্ত ফ্রাঞ্চাইজি ছিল তারা একাধিক ক্রিকেটারের পারিশ্রমিক বকেয়া রেখেছে। আমরা খেলোয়াড়দের এজেন্টের থেকে সেসব জেনেছি। আমরা খুব দ্রুত পারিশ্রমিক পরিশোধ করবো এবং যে সমস্ত ফ্রাঞ্চাইজি পারিশ্রমিক বকেয়া রেখেছে তাদের বিরুদ্ধে লিগ্যাল অ্যাকশনে যাবো।’

জানা গেছে, নিকোলাস পুরানকে ট্যাক্স কাটার পর ৩৫০০০ ডলার দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটার পেয়েছেন মাত্র ১০০০০ ডলার। এছাড়া গুলবাদিন নাইব তার প্রাপ্য ৩২০০০ ডলার পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।