নেত্রকোণা মডেল পৌরসভার উন্নয়নে অগ্রযাত্রায় মানুষের হয়ে, মানুষের পাশে কাজ করতে চাই-অপল

September 13, 2020 11:01 pm
Spread the love

সৈয়দ সময়, নেত্রকোণাঃ

নেত্রকোণা পৌরসভার আগামী নির্বাচনে মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন দেওয়ান হাফিজ উদ্দিন অপল। তিনি ১লা এপ্রিল ১৯৬২ সনে এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা মরহুম দেওয়ান আব্দুল আজিজ, মাতা- মরহুমা দেওয়ান নূরজাহান বেগম, গ্রাম- সাতপাই, ডাকঘর- নেত্রকোণা, উপজেলা- নেত্রকোণা সদর, জেলা- নেত্রকোণা। তিনি এক আওয়ামী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। তারা ৫ ভাই ৩ বোন। বড় ভাই দেওয়ান ওমর ফারুক নেত্রকোণা জেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা, তার ছোট বোন দেওয়ান আলেয়া আজম (টপি) বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটি জনাব মির্জা আজম এম.পি’র সহধর্মিনী, তার আপন ভাইপো দেওয়ান রনি নেত্রকোণা জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহব্বায়ক, অন্য ভাইপো দেওয়ান জনি নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। তার ৩ মেয়ে বড় মেয়ের স্বামী রাশেদুল ইসলাম যুক্তরাষ্ট্রে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। মধ্যম মেয়ে স্বামী মেজর মামুন বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ মিলিটারী একাডেমি ভাটিয়ারী চট্টগ্রামে কর্মরত আছেন।

দেওয়ান হাফিজ উদ্দিন অপল সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের বিভিন্ন পদে জড়িত রয়েছেন। তিনি আজীবন সদস্য রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি নেত্রকোণা জেলা ইউনিট। প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক নেত্রমনি সমাজ কল্যাণ সমিতি, সাধারণ সম্পাদক, এসো মিতালি পাতাই (শিশু-কিশোর সংগঠন) এর সাথেও জড়িত রয়েছেন। তিনি সাবেক সাধারণ সম্পাদক ১নং ওয়ার্ড (সাতপাই কমিটি) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, নেত্রকোণা। সাবেক সভাপতি ১নং ওয়ার্ড সাতপাই কমিটি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সদর থানা ছাত্রলীগ নেত্রকোণা, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক নেত্রকোণা সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদ নেত্রকোণা। সাবেক সহ-সভাপতি জেলা ছাত্রলীগ নেত্রকোণা, সাবেক ১নং সদস্য স্বেচ্ছাসেবক লীগ, নেত্রকোণা জেলা শাখা নেত্রকোণা, সাবেক ১নং সদস্য নেত্রকোণা জেলা যুবলীগ, নেত্রকোণা। বর্তমানে কার্যনির্বাহী সদস্য, জেলা আওয়ামীলীগ নেত্রকোণা।

এছাড়া ১৯৮৬ সনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ মনোনীত সহ-সভাপতি প্রার্থী নেত্রকোণা সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদ। তিনি ১৯৭৮ সনে নবম শ্রেণীর ছাত্র থাকাবস্থায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ১নং ওয়ার্ড সাতপাই কমিটির সাধারণ সম্পাদক পদ লাভ করেন। ১৯৮০ সনে ১০ শ্রেণীর ছাত্র অবস্থায় ঐ ওয়ার্ডেই সভাপতির পদ লাভ করেন। ১৯৮০ সনে ১০ শ্রেণীর ছাত্র থাকাবস্থায় জিয়া সরকারের পতনের আন্দোলনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে নেত্রকোণা সদর এবং জেলার বিভিন্ন এলাকায় সক্রীয় ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮১ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নেত্রকোণা সদর থানার সাধারণ সম্পাদক হিসাবে মনোনীত হন। ১৯৮১ সনে নেত্রকোণা সরকারী কলেজ এবং নেত্রকোণা জেলা ছাত্রলীগকে সংগঠিত করার জন্য বিভিন্ন কর্মকান্ডে অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮১ সনে ১৭ই মে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করার দিন জেলা আওয়ামলীগের সকল সহযোগী সংগঠন সহ বিমান বন্দরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৮২ সনের ৬ই মার্চ নেত্রকোণা সরকারী কলেজে এইচএসসি ২য় বর্ষে অধ্যায়নরত অবস্থায় কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগ পরিষদ থেকে বিপুল ভোটে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হন। ১৯৮৩ থেকে ১৯৮৫ পর্যন্ত জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং স্বৈরাচার বিরোধী প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে কেন্দ্রীয় কর্মসূচী সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৫ সনে এরশাদ বিরোধী কেন্দ্রীয় কর্মসূচী পালন করার সময় গ্রেফতার হয়ে কারাবরণ করেন। ১৯৮৫ সনে ২৭ শে সেপ্টেম্বর ছাত্রলীগের নেতৃত্বে স্বৈরাচার বিরোধী মশাল মিছিল করতে গিয়ে এরশাদ সরকারের গুন্ডা বাহিনী দ্বারা জেলা ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহ্ নূর ইসলাম তিতাস চোরার আঘাতে নিহত হন। এই মিছিলে ছাত্রনেতা হিসাবে নেতৃত্ব দেন। ১৯৮৬ সালে নেত্রকোণা সরকারী কলেজ ছাত্র সংসদে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মনোনীত সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন করেন। ১৯৯০ সনে এরশাদ পতন আন্দোলনে গণঅভ্যুত্থানে জেলা ছাত্রলীগের নেতৃত্বে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সকল কার্যক্রম সফল ভাবে পরিচালনা করেন। ১৯৯১ সন হইতে ২০০৪ সন পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগকে সংগঠিত করার কাজে সদস্য হিসাবে সর্বদাই নিয়োজিত থাকেন। ২০০১ সনের ২৮ শে নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী যুবলীগ নেত্রকোণা জেলা শাখার সভাপতি বাবু স্বপন জোয়ার্দার কে তেরী বাজার মোরে বিএনপি’র সন্ত্রাস বাহিনী কর্তৃক গুলি করে হত্যা হয়, শহীদ স্বপন জোয়ার্দার হত্যা মামলার আসামীদের বিচারের আওতায় আনার জন্য ব্যাপক আন্দোলন করেন। ২০০৫ সনে তৎকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির চেয়ারম্যান জনাব জাহাঙ্গীর কবীর নানক (বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী এবং জনাব মির্জা আজম, বর্তমান সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী) কর্তৃক অনুমোদিত বাংলাদেশ আওয়ামীযুবলীগ নেত্রকোণা জেলা শাখার আহব্বায়ক কমিটির ১নং সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সন থেকে কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত নেত্রকোণা জেলা যুবলীগের ১নং সদস্য থাকাবস্থায় তৎকালীন জোট সরকার ও জামাত শিবির বিরোধী কেন্দ্রীয় কর্মসূচী ও স্থানীয় কর্মসূচী নিয়ে জেলার তৃণমূল পর্যায়ে যুবলীগের নেতৃত্বে প্রত্যেকটি আন্দোলন সংগ্রাম কে জেল জুলুম উপেক্ষা করে সফল ভাবে দায়িত্ব পালন করেন। নেত্রকোণা জেলার ১০টি উপজেলা, ৫টি পৌরসভা ও ৮৬টি ইউনিয়ন সহ ওয়ার্ড থেকে শুরু করে প্রত্যেক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের সহযোগিতা করেন। তৎকালীন মাননীয় অর্থ মন্ত্রী জনাব শাহ্ এসএম কিবরিয়া হত্যা কান্ডের প্রতিবাদ কর্মসূচী চলাকালে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির কাউন্সিলে কাউন্সিলার হিসাবে ৩ বার অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া ১/১১ গণতন্ত্রের মানস কন্যা জাতির পিতার সু-যোগ্য তনয়া, ডিজিটাল বাংলার রূপকার দেশরতœ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গ্রেফতার হওয়ার প্রতিবাদে পরদিন জেলা যুবলীগের নেতৃত্বে প্রতিবাদ মিছিল করেন। এছাড়া ২ লক্ষ গণস্বাক্ষরপত্র কেন্দ্রে প্রেরণ করা হয়। ২০০৮ সনে ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা জেলায় সু-সংগঠিত আওয়ামী যুবলীগের কর্মীদের নিয়ে কৌশলী নির্বাচনী কর্মকান্ড পরিচালনা করেন। ফলে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থীগণ জেলার ৫টি আসনেই বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়। আগামী পৌরসভা নির্বাচনে নেত্রকোণা তথা পৌরবাসীর সুখ দুঃখের সাথী হয়ে নেত্রকোণা পৌরসভা কে একটি মডেল পৌরসভা হিসাবে উপহার দেওয়ার অঙ্গীকার নিয়ে তিনি মাঠে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি পৌরবাসী সহ সকলের সহযোগিতা ও দোয়া প্রার্থনা করেন।