টিকেটের দাবীতে সৌদি এয়ারলাইন্সের অফিসের সামনে বিক্ষোভ

September 22, 2020 2:04 pm
Spread the love

নিউজ ডেক্সঃ

রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে অবস্থিত সৌদি এয়ারলাইন্সের অফিসের সামনে কারওয়ান বাজার মোড়ে বিক্ষোভ করছেন সৌদি প্রবাসীরা। পাঁচ শতাধিক সৌদি প্রবাসী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। তারা বলছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সৌদি আরবে যেতে না পারলে তাদের চাকরি হারাতে হবে।

আজ মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে সড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এর আগে, সোমবার কারওয়ান বাজার ও মতিঝিলে বিক্ষোভ করেন সৌদি আরব থেকে ছুটিতে দেশে এসে আটকে পড়া প্রবাসীরা।

মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কারওয়ান বাজারে সৌদি এয়ারলাইন্সের বুকিং কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন সৌদিপ্রবাসীরা। দুপুর ১২টার পর তারা সড়ক থেকে সরে যান। পরে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

সৌদি এয়ারলাইন্সের সঙ্গে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চালু করার জন্য বলেছিল বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশন। তবে সৌদি এয়ারলাইন্স বলেছে, আপাতত তারা একাই ফ্লাইট চালু করতে চায়। কিন্তু তা সিভিল এভিয়েশন মানতে রাজি নয়। এ রকম পরিপ্রেক্ষিতে সিভিল এভিয়েশন সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।

তারা দাবি করছেন, ইতোমধ্যে অনেকের ভিসা ও আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আরও অনেকের ভিসা ও আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তাই ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যেন সৌদিতে যেতে পারেন, তাই আপাতত সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চালু করতে হবে দ্রুত।

সৌদি এয়ারলাইন্স চালু হলে ১০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিয়ে যাওয়া সম্ভব। ভিসা ও আকামার মেয়াদ যেন সৌদি সরকার বাড়ায় তার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে অনুরোধ করারও আহ্বান জানান এসকল প্রবাসীরা।

সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্সের অফিসে শনিবার থেকেই টিকিটের জন্য ঘুরছেন প্রবাসীরা। তাদের অভিযোগ, লাইনে দাঁড়ালেও টিকিট দিচ্ছে না সাউদিয়া। রিটার্ন টিকিট থাকার পরও অতিরিক্ত ২৫ হাজার টাকা রিইস্যু করতে নিচ্ছে এয়ারলাইনসটি। একইসঙ্গে টিকিট বিক্রি করছে ৯৫ হাজার টাকায়।

বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মহিবুল হক বলেন, আমরা সৌদিপ্রবাসীদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সৌদি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করতে বলেছি। আর সৌদি এয়ারলাইনস যদি আমাদের কাছে ফ্লাইটের সংখ্যা বাড়ানোর আবেদন করে, তবে আমরা তা দিয়ে দেব। তারা ফ্লাইট বাড়ানোর আবেদনই করেনি। বিমান আটটি ফ্লাইট পরিচালনার জন্য প্রস্তুত আছে। তবে বিমানকে সৌদি কর্তৃপক্ষ ল্যান্ডিং পারমিশন দেয়নি।