মুক্তির অপেক্ষায় টেলিফিল্ম “ত্যাগ”

October 8, 2020 7:12 am
Spread the love

শামসুল আরেফিন শাকিল:-

আ-কার ই-কার চলচ্চিত্র এবং অনল মিডিয়া ভিশন এর যৌথ প্রযোজনায় নির্মিতব্য টেলিফিল্ম “ত্যাগ” গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো শেষ ধাপের সুটিং। আমাদের সমাজের চারপাশে ছড়িয়ে থাকা একটি পারিবারিক ঘটনার আবর্তে টেলিফিল্ম ত্যাগ এর কাহিনি আবর্তিত। প্রতিটি নববধূই তার স্বামী সংসার নিয়ে সুখের স্বপ্ন দেখে। কিন্তু যৌতুক নামক কালো থাবা ও আঞ্চলিক লৌকিকতায় কখনও কখনও এ স্বপ্ন মুখ থুবড়ে পড়ে। চেনা মানুষগুলোও তখন হয়ে উঠে অচেনা। এদিকে প্রতিটা পিতাই চায় তার সন্তান সুখে থাকুক। তাইতো সন্তানের সুখের জন্য কন্যা দ্বায়গ্রস্থ পিতা জিবনের সর্বস্ব ত্যাগ করতেও দিধা বোধ করে না। তবুও কি সব পিতা সন্তানের মুখে হাসি ফুটাতে পারে!! তেমনি এক বিয়োগাত্মক ঘটনা নিয়ে নির্মিতব্য টেলিফিল্ম “ত্যাগ” শুটিং শেষে এখন এডিটিং এর টেবিলে। অহমেদ কামাল অফতাব এর লিখা গল্পে চিত্রনাট্য ও পরিচালনার দায়িত্বে আছেন আশরাফুল করিম সৌরভ। প্রান্ত শর্মার চিত্রধারনে টেলিফিল্ম “ত্যাগ” এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন-সুশোভন চৌধুরী, মোশারফ ভূঁইয়া পলাশ, নাসরিন হীরা, আহমেদ কামাল অফতাব, শ্রেয়সী স্রোতস্বিনী, নাসরিন তমা, মামুন খাঁন রাহী এবং আশরাফুল করিম সৌরভ। প্রডাকশনের দারিত্বে মোঃ রাসেল। টেলিফিল্মটির নির্মাতা প্রতিষ্টান দ্বয়ের প্রধান- নির্মাতা আশরাফুল করিম সৌরভ এবং নির্মাতা মোশাররফ ভূঁইয়া পলাশ উভয়েই ত্যাগ এর সফলতার বিষয়ে যথেষ্ট অশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। করোনার কারনে জেলা শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ তাই যখনি শিল্পকলা একাডেমি চট্রগ্রামের কার্যক্রম শুরু হবে তখনই শিল্পকলার হলে এর প্রিমিয়ার শো র আয়োজন করা হবে বলে উভয়েই জানিয়েছেন। উল্লেখ্য গতবছর ৩ জুলাই অ-কার ই-কার চলচ্চিত্র এবং অনল মিডিয়া ভিশন এর প্রধান দ্বয় আশরাফুল করিম সৌরভ এবং মোশাররফ ভূঁইয়া পলাশ এর উপস্থিতিতে উভয় প্রডাকশনের যৌথ প্রযোজনায় দুই শতাধিক শর্টফিল্ম, নাটক, প্রমান্যচিত্র, দর্শনীয় স্থান পরিচিতি, টেলিফিল্ম, টি ভি তি ও বিভিন্ন সমাজ সচেতনতামূলক ভিডিওচিত্র নির্মান এবং তা বিভিন্ন টিভি ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের পাশাপাশি যৌথ অংশিদারিত্বে পরিচালিত রাহা আরাফ টিভি এবং অনল টিভি তে (ইউটিউব চ্যানেল) নিয়মিত ভাবে প্রচারের লক্ষে দীর্ঘ মেয়াদি এক সমঝোতায় উপনিত হয়। তারি ধারাবাহিকতায় এ পর্যন্ত নির্মিত হয়েছে টেলিফিল্ম “অতঃপর দুজন”, শর্টফিল্ম এক রাঁতের অতিথি, আশার আলো, ধুমপানে বিষপান, হিউমেনিটি, দৃষ্টি, ফাঁফর বাজ, ফেল্টুস মোখলেছ উল্লেখযোগ্য। তাছাডা দর্শনীয় স্থান পরিচিতি মুলক অনুষ্ঠানে মধ্যে কৈবল্যধাম মন্দির এবং ময়মনসিংহের রাজা হেমচন্দ্র রায়ের জমিদার বাড়ীর উপর নির্মিত অনুষ্টান উল্লেখযোগ্য। তাছাড়া নির্মাণের অপেক্ষায় রয়েছে, টেলিফিল্ম বৃদ্ধা আশ্রম, মাদকের নেশা, নারী পাঁচার, লেখিকা ওয়াহিদা সুলতানা লাকির লিখা গল্প অবলম্বনে পাগলির জিবন।, মারজানা সাবিহা সুচির লেখা মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক টেলিফিল্ম বানর খেলা। এবং লেখিকা সাজিয়া অফরিন স্বপ্নার লিখা বন্ধ্যা অবলম্বনে ওয়েবসিরিজ “বেলাশেষে” বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।