ফতুল্লার কুতুবপুরের আলাউদ্দীন হাওলাদারের বিরুদ্বে চাঁদাবাজী ও দোকান ভাংচুরের অভিযোগ

October 13, 2020 11:01 pm
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদক

নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন হাওলাদারের বিরুদ্বে চাঁদাবাজী ও দোকান ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে।ঘটনাটি ঘটেছে সোমাবার (১২অক্টোবর)দিবাগত মধ্যরাতে ফতুল্লা থানার পাগলা দৌলতপুর এলাকায়।
এ ঘটনায় ফজলুল হক বাদী হয়ে ইউপি সদস্য আলাউদ্দিন হাওলাদার তার সহোযোগি মালেক সহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামী করে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

জানা যায়, কুতুবপুরের দৌলতপুরে ফজলুল হকের তিন কাঠা পরিমাণ জায়গা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই ওই জায়গা ক্ষমতার দাপটে দখল করতে চাচ্ছেন আলাউদ্দিন৷ জায়গা না দিলে দশ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হবে, এমন কথাও ফজলুল হককে সাফ জানিয়ে দেন আলাউদ্দিন৷ এর সূত্র ধরে গতবছরে মার্চে ফজলুল হককে মারধর করেন তিনি৷ সেসময় তার দাঁড়িও নিজ হাতে ছিড়ে ফেলেন আলাউদ্দিন।

ওই ঘটনায় থানায় মামলা হলেও জামিন পান আলাউদ্দিন৷ এরপর বাড়ে অত্যাচারের মাত্রা৷ চাঁদার দাবিতে ক্রমাগত ফজলুল হকের উপর চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন তিনি৷ তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল সোমবার (১২ অক্টোবর) প্রকাশ্যে ফজলুল হককে হুমকি দেন আলাউদ্দিন।

মধ্যরাতে শরীফবাগে থাকা ওই বৃদ্ধের দোকানের শাটার গুড়িয়ে দেয় ও দোকানে ভাংচুর চালায় আলাউদ্দিন বাহিনী৷ ফজলুল হক বলেন, “আমি নরম প্রকৃতির মানুষ বিধায় আলাউদ্দিন আমার তিন কাঠা পরিমাণ জমি লিখে নিতে চান৷ অথচ জমির সব কাগজপত্রে মালিকানা আমার। গতবছর আমি তার নামে মামলা করলেও প্রভাব খাটিয়ে সে জামিন পায়৷ আমার আইনজীবির শক্ত অবস্থানে মামলাটি বর্তমানে সিআইডিতে তদন্তাধীন৷ কিন্তু জামিন পেয়েই আলাউদ্দিনের অত্যাচারের মাত্রা বেড়ে যায়।”

ফজলুল হক আরো বলেন, “গতকাল (১২ অক্টোবর) আলাউদ্দিন আমাকে হুমকি দেয়৷ এরপর দিবাগত রাতে তার বাহিনীর মালেক ড্রাইভার ও তার ছেলে ট্রাক দিয়ে আমার দোকানের শাটার গুড়িয়ে দেয় ও দোকানে ভাংচুর চালায়৷ এই হামলার নির্দেশদাতা আলাউদ্দিন। আমি প্রাণভয়ে আছি৷ আলাউদ্দিনের বাহিনী যেকোনো সময় আমাকে মেরে ফেলতে পারে।”

আলাউদ্দিন হাওলাদারের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা, ভূমিদস্যুতা, জুয়ার বোর্ড পরিচালনাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে৷ নিজ কার্যালয়ে দুই যুবককে চোর আখ্যা দিয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে গত বছরের শেষের দিকে ব্যাপক সমালোচনার শিকার হন তিনি৷