বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে বলিভিয়াকে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা

October 14, 2020 9:49 am
Spread the love

স্পোর্টস ডেক্সঃ

অবশেষে বলিভিয়া বাধা কাটালো মেসির আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে স্বাগতিকদের ২-১ গোলে হারিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। যদিও শুরুতে পিছিয়ে পরেও শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে স্ক্যালোনি শিষ্যরা। বাছাই পর্বের ম্যাচে এটি আর্জেন্টাইনদের দ্বিতীয় জয়।

বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে লাতিন আমেরিকান পরাশক্তি আর্জেন্টিনা পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু শহর লাপাজে। প্রতিপক্ষ স্বাগতিক বলিভিয়া। ভূপৃষ্ঠ থেকে তিন হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত স্থানটা বরাবরই অস্বস্তির কারণ। তাছাড়া দলটির বিপক্ষেও রয়েছে অতীত দুঃস্মৃতি। গেলো বিশ্বকাপের তাদের বিপক্ষে হেরে গ্রুপ পর্বে কঠিন সমীকরণে পড়তে হয়ে ছিল আর্জেন্টাইনদের।

প্রতিপক্ষ গেলো ম্যাচে ব্রাজিলের কাছে বিধ্বস্ত হয়েছে ৫-০ গোলে। তাই আত্মবিশ্বাসে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও, ঘরের মাঠে ঠিকই ভেলকি দেখিয়েছে সফরকারীদের। ইনজুরির কারণে দলের অন্যতম ভরসা ডি মারিয়া আর অ্যাগুয়েরো নেই একাদশে। আক্রমণভাগটা স্ক্যালোনি সাজিয়েছেন মেসি, মার্টিনেজ আর প্যালাসিওকে নিয়ে।

কিছুটা রক্ষণাত্মক মনোভাব দু’দলের। তবে শুরু ২০ মিনিটে বেশ কয়েকবার আক্রমণে গিয়েছে আলবিসেলেস্তারা। পরাস্ত হয়েছে বলিভিয়ানদের রক্ষণের কাছে। তবে সুযোগটা কাজে লাগিয়েছে স্বাগতিকরা। ২৪ মিনিটে লিড নেয় কেসার ফেরিয়াস শিষ্যরা। চুমাসিরোরর অ্যাসিস্টে গোল করেন মার্টিনস।

গোল হজম করে জ্বলে উঠে দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। একের পর এক আক্রমণ সানায় স্বাগতিক রক্ষণে। কিন্তু নিজেদের পোস্ট সুরক্ষিত রাখার শেষ চেষ্টা ব্যর্থ হয় ম্যাচের ৪৫ মিনিটে। বিরতিতে যাওয়ার আগ মূহুর্তে গোল করেন লাওতারো মার্টিনেজ। সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা।

বিরতি থেকে ফিরে বারবার আক্রমণে যায় স্ক্যালোনি শিষ্যরা। প্লে মেকার মেসিকে বরাবরই পড়তে হয়েছে প্রতিপক্ষ রক্ষণের অবৈধ বাঁধার মুখে। তবে ৭৫ মিনিটে দারুণ এক সুযোগ তৈরি করেছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু মার্টিনেজের ভুলে এগিয়ে যাওয়া হয়নি সেবার।

৪ মিনিট পর আর ভুল করেনি কোরেয়া। ঐ মার্টিনেজের পাস থেকে দূরপাল্লার শটে গোল করেন তরুণ সেনসেশন। এরপর বেশ কয়েকবার আক্রমণে গেছে দু’দল। কিন্তু গোলের দেখা পায়নি কেউই।

শেষ পর্যন্ত ঐ ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মেসির দল। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের দুই ম্যাচে টানা জয়ে আমেরিকা অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে স্ক্যালোনি শিষ্যরা।