করোনার ২য় ধাপেও বায়াররা প্রতিশ্রুতিতে আরও পরিপক্ক হবে-রুবানা হক

November 11, 2020 11:35 pm
Spread the love

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো জানায়, জুলাই মাসে ৩২৪৪.৯৪ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, আগস্টে ২৪৬৮.০২, সেপ্টেম্বর ২৪১৩.৪২ ও অক্টোবরে ২৩২৩.৭২ মি. ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়।

ডাটা পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, চলতি বছরের চার মাসের মধ্যে জুলাই মাসে রপ্তানির চিত্র ভালো থাকলেও পরবর্তী তিন মাসে ক্রমাগত ধস নামে। চার মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে রপ্তানি কমেছে দশমিক ৮৯ শতাংশ এবং আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে রপ্তানি কমেছে ১.২ শতাংশ।

বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেন, করোনার প্রথম তরঙ্গে অনেক অনিশ্চয়তা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যে অধিকাংশ বায়ার ব্যান্ডগুলো পেমেন্টের ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য শর্তে এসেছে। আমরা বিশ্বাস করি যে, দ্বিতীয় তরঙ্গে তারা প্রতিশ্রুতিতে আরও পরিপক্ক হবে।

সংগঠনটির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান বলেন, করোনাকালে আটকে যাওয়া অর্ডার জুলাই মাস পর্যন্ত রপ্তানি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাস আমাদের জন্য লিংক পিরিয়ড। ইতোমধ্যে কিছু বায়ার কাজ বন্ধ রাখতে বলেছে। তবে খাতটির প্রকৃত অবস্থা বোঝা যাবে নভেম্বরের ১৫ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে।

বিকেএমইএ সহসভাপতি হাতেম রেজা বলেন, ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত ঋণাত্বক ধারায় চলবে রপ্তানি চিত্র। ডিসেম্বর-মার্চ এই চার মাস আমাদের পিক টাইম। এসময়ের কার্যাদেশ আমাদের হাতে থাকার কথা ছিলো। ফলে রপ্তানি নিয়ে আমরা আশঙ্কায় আছি।

তিনি বলেন, করোনার প্রথম তরঙ্গে কারখানাগুলোতে স্বাস্থবিধিসহ নেয়া সকল প্রস্তুতি এখনো চলমান আছে, এতে সবাই অভ্যস্ত হয়েছে। কম কর্মী নিয়েই কাজ চলছে, ফলে উল্লেযোগ্যভাবে কর্মী কমানোর আশঙ্কা নেই।