‘মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর প্রকল্প একটি সময়োচিত পদক্ষেপ

November 18, 2020 10:49 am
Spread the love

অনলাইন ডেক্সঃ

দেশের আমদানি-রফতানির ৯২ ভাগ পরিচালিত হয় চট্টগ্রাম বন্দর ঘিরে। আজ বাংলাদেশের যত সমৃদ্ধি, যত অর্জন সবটুকু চট্টগ্রাম বন্দরের অবদান। সময়ে সঙ্গে সঙ্গে এই বন্দরের সক্ষমতাও বাড়ানোর চেষ্টা হয়েছে বারবার। কিন্তু কর্ণফুলী নদী ঘিরে গড়ে ওঠা এই বন্দরের সেবা দেয়ার চূড়ান্ত সীমা যেন ফুরিয়ে এসেছে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রাম বন্দর তার সক্ষমতার শেষ প্রান্তে পৌঁছে গেছে। কিন্তু দেশের অর্থনীতি যেভাবে বিকশিত হচ্ছে, তার সঙ্গে তাল মেলাতে নতুন বন্দরের প্রয়োজন। জাতির আগামীর সেই স্বপ্ন পূরণ করবে ‘মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর’।

বিষয়টি স্পষ্ট করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ জাগো নিউজকে বলেন, ‘মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর এখন আমাদের সময়ের দাবি। চট্টগ্রাম বন্দর আমাদের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। আমাদের আমদানি-রফতানির ৯২ ভাগই এই বন্দর দিয়ে হয়ে থাকে। কিন্তু দেশের অর্থনীতি যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তার সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের এগিয়ে চলা সম্ভব হচ্ছে না। এর সক্ষমতা একেবারে শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বন্দরের বিকল্প হিসেবে আরও বন্দর গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেয়া হয়। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও পতেঙ্গা বে-টার্মিনাল নিয়ে আমাদের কার্যক্রম চলছে।’

আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘মাতারবাড়ী সমুদ্রবন্দর প্রকল্প একটি সময়োচিত পদক্ষেপ। বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখন আমাদের অর্থনীতির যে গতি, আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি যেভাবে হচ্ছে, এ অবস্থায় কর্ণফুলী নদীভিত্তিক চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর নির্ভর করার অবস্থায় আমরা আর নেই। গভীর সমুদ্রবন্দর আমাদের সময়ের দাবি ছিল। অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য আমাদের এই বন্দরের প্রয়োজন ছিল। এটি একটি অবশ্যম্ভাবী দাবি। এটি ছাড়া আমাদের আর কোনো বিকল্প নেই। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা আর বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়।’