যশোরে জামিন ছাড়াই আসামীকে কারাগার থেকে মুক্ত করার চেষ্টা

March 19, 2021 5:46 pm

এ্যান্টনি দাস (অপু),স্টাফ রিপোর্টারঃ

যশোর আদালতে জামিন না পেলেও আসামি আব্দুর রহিমকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্ত করার জন্য নানা পদ্ধতি অবলম্বন করা হলেও জানাজানির একপর্যায়ে একেবারে শেষ ধাপে আটকে যায় ওই আসামি।

গতকাল বৃহস্পতিবার(১৮মার্চ) সন্ধ্যায় এমন অবৈধ কার্যকালাপে অভিযুক্ত ওই দুজনকে কোর্ট পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিগ্যাস্বাবাদ শেষে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।

কোর্ট সুত্রে জানা যায়, গত ১১মার্চ দুপুর পৌনে ১১টার দিকে যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার আব্দুল হাকিমের ছেলে আব্দুর রহিমসহ মাদক সেবন করাকালীন অবস্থায় ৬ জনকে কোতয়ালি পুলিশের হাতেনাতে আটক করেন।

পরে তাদের পুলিশি হেফাজতে এনে ডোপ টেস্ট করা হলে পরীক্ষার রিপোর্টেও মাদক সেবনের আলামত পাওয়া যায়। আদালত আটক ঐ ৬ জনকে কারাগারে প্রেরণ করেন। বৃহস্পতিবার আব্দুর রহিম বাদে বাকি ৫ জনকে জামিন দেন আদালত।

এদিকে, ৬ জনেরই জামিন পেতে জুলফিক্কার আলী জুলুকে আইনজীবী নিয়োগ দেন। তবে আইনজীবী শরিফা বেগম আসামি আব্দুর রহিমের মামলাটি দেখভালের জন্য মৌখিকভাবে জুলুর কাছ থেকে তার অধীনে নিয়ে নেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার(১৮মার্চ) আইনজীবী জুলফিকার আলী জুলুর আবেদনে ১ জন বাদে ৫ আসামির জামিন হয়। বাদ ছিল আব্দুর রহিম। এদিকে অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুলুর মহুরী মামুনুর রশিদ মামুন এবং অ্যাডভোকেট শরিফা বেগমের মহুরী মেহেদী হাসান মধু ‘কারসাজি’ করে ৬ জনেরই নামে জামিননামা এবং ছাড়পত্র তৈরি করে আদালতে জমা দেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দস্তখতের পর বিষয়টি জিআরও সেরেস্তার নজরে চলে আসে। এমন সময় তৎক্ষনাৎ বিষয়টি আদালতসহ সংশ্লিষ্ট দফতরকে অবহিত করেন তারা। তবে এরই মধ্যে আসামিদের জেলখানা থেকে বের করতে যোগাযোগ করা হয়।
কিন্তু জিআরও সেরেস্তার নজরে চলে আসায় জামিন না হওয়া আব্দুর রহিমের কারাগার থেকে বের হওয়া আটকে যায়।

এ ব্যাপারে অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুলু বার্তা বাজার কে বলেছেন, বিষয়টি কোন উদ্দেশ্যমূলক নয় বরং ভুলক্রমে হয়ে গেছে।