যেসব খাবার এবং প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যাপারে সাবধান থাকবেন!

নভেম্বর ২, ২০১৭ ১১:০৯ সকাল

অনলাইন ডেক্সঃ

নিচের খাবারগুলো ও প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যাপারে সাবধান থাকুনঃ

▪১. Nestle কোম্পানি স্বীকার করে নিয়েছে তারা তাদের চকলেট এ গরুর মাংসের একটা অংশ ব্যবহার করে৷ প্রক্রিয়াজাত করা মাংস দীর্ঘদিন সংরক্ষন ব্যতীত এভাবে খেলে ক্যান্সারের ঝুকি থাকে৷

▪২. একটি মামলায় Chennai high court এ Fair and Lovely স্বীকার করে নিয়েছিলল যে, তারা শুকরের মাংসে প্রাপ্ত তেল তারা এটি তৈরীতে ব্যবহার করে।

▪৩. বিশ্বের অনেক দেশে Vicks নিষিদ্ধ। একে বিষ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে!

▪৪. লাইফবয় কোন সাধারণ সাবান না বা এন্টিস্যাপ্টিক তো না-ই, বরং এটা মানুষের ব্যবহারেরই না! এটা হল Cabolic soap যা পশুদের জন্য ব্যবহার হয়। ইউরোপের মানুষেরা লাইফবয় ব্যবহার করে তাদের কুকুরের জন্যে।

▪৫. কোক, পেপসি আসলে Toilet cleaner! এটা প্রমাণিত সত্য যে, এগুলো বহন করে ২১ ধরনের স্লো পয়জনিং উপাদান যার বিক্রি ইন্ডিয়ান পার্লামেন্টের ক্যান্টিনে নিষিদ্ধ।

▪৬. Boost, Complan, Horlics, Maltova, Protin-ex., পরীক্ষিত হয়েছিল দিল্লির All India Institute- এ, যা ভারতের সবচেয়ে বড় ল্যাবরেটরী। সেখানে জানা গেছে যে, এটি তৈরি করা হয় চীনাবাদাম থেকে তৈরী যে তেলের ব্যবহারের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেই তেল থেকে! যেগুলো পশুদের খাদ্য! এই বর্জ্য থেকে তারা হেলথ টনিক তৈরী করে !!

▪৭. অমিতাভ বচন ১০ ঘণ্টা যাবত অপারেশনের ছুড়ির নিচে ছিল। ডাক্তাররা তার বৃহদান্ত্র ফেলে দিয়েছিল, আর বলেছিল এটা পচে গেছে পেপ্সি কোকাকোলা টাইপের সফট ড্রিংকসের অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে। এরপরেই তিনি এসবের বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেন।

▪৮. অসংখ্য মানুষ আজকাল পিজ্জা খায়। Pizza Hut, Dominos, KFC, McDonalds অামেরিকান কোম্পানী৷ এ কোম্পানীগুলো পিজ্জার স্বাদ বাড়াতে যে ফ্লেভার ব্যবহার করে তা শুয়োরের মাংশ থেকে তৈরী করা হয়৷

▪৯. বহুজাতিক কোম্পানীর সকল চিপস, চকোলেটে নিচের কোডগুলো থাকে যার উপাদান অাপনারা গুগলে সার্চ দিলে জানতে পারবেন এসবের সত্যতা৷
E 322 – Beef
E 422 – Alcohol
E 442 – Alcohol & Chemical
E 471 – Beef & Alcohol
E 476 – Alcohol
E 481 – mixture of Beef and Pork
E 627 – Dangerous Chemical
E 472 – mixture of Beef, meat & Pork
E 631 – Oil extracted from Pig
Ref: Google

*দীর্ঘমেয়াদী স্লো পয়জনিং খেয়ে ক্যান্সার ও মারাত্বক সব দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে নিজেকে ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে রক্ষা করতে সচেতন হোন।